মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ :
ঈদে মিলাদুন্নবীর বার্তা ছড়িয়ে পড়ল হাসপাতালে—পাইকগাছায় রোগীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা, পরিবেশন করা হলো উন্নতমানের খাবার মহানবীর আদর্শে শান্তি-সম্প্রীতির প্রত্যয়: খুলনায় বিএনপির উদ্যোগে ঈদে মিলাদুন্নবীর দোয়া মাহফিল প্রতিশ্রুতি রক্ষার অনন্য দৃষ্টান্ত: জেলা পরিষদের বরাদ্দে বদলে যাচ্ছে পাইকগাছা প্রেসক্লাব সহ ২১৮ প্রতিষ্ঠান সুইচ গেটের পানিতে মিলল ৭০ বছরের বৃদ্ধের লাশ, পরিচয়হীন অবস্থায় বেওয়ারিশ দাফন ২৮ দিন পর সন্দেহভাজন গ্রেপ্তার—আরএফএল কর্মী বিশ্বজিৎ হত্যা রহস্যের জট খুলবে কি? চেতনানাশক খাইয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ: পাইকগাছার কপিলমুনি থেকে নারীসহ গ্রেপ্তার ২ গণতন্ত্রের রাজনীতির উত্তরাধিকার স্মরণে পাইকগাছায় খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকী পালন ‘`মানুষের পাশে দাঁড়ানোই প্রকৃত জনসেবা’`পাইকগাছায় চক্ষু চিকিৎসায় মানবিকতার বার্তা স্বাবলম্বিতার পথে পাইকগাছা: শিক্ষার্থী ও দুস্থদের হাতে সাইকেল, সেলাই মেশিন ও ভ্যান তুলে দিলেন এমপি আবুল কালাম আজাদ এক মাস পর পাইকগাছা থানায় পূর্ণকালীন ওসি, আইন-শৃঙ্খলায় নতুন গতির প্রত্যাশা

পোকা মাকড় ধরার নেশা থেকে দুনিয়ার সেরা গেম মেকার- ৭১বার্তা

মোস্তাফিজার বাবলু
  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ১১ আগস্ট, ২০২৩
  • ১৪৯ বার পঠিত
অল্প বয়সের একটা ছেলে। যার সমস্ত আবেগ ছিল পোকা মাকড় ধরায়। এই ধরনের পতঙ্গকে খোঁজার  কাজে ছেলেটা ঘণ্টার পর ঘণ্টা ব্যয় করতো। দ্রুতই সে বুঝতে শেখে তার এই আবেগ কেবলই কীটপতঙ্গ ধরার মাঝে সীমাবদ্ধ নয়।  সূত্র: একাত্তর টিভি
ছেলেটির একটাই লক্ষ্য ছিলো-এমন একটা জগৎ তৈরি কার যে জগতে থাকবে কেবলই তার কীটপতঙ্গ, একটা জগত যেখানে সে সব ধরনের পোকামাকড় আবিষ্কার করতে পারবে। এবং তা সংগ্রহ করতে পারবে। সে এটা বাস্তবেই করতে চেয়েছিল। কিন্তু সে জানত না তার এ স্বপ্ন কিভাবে সম্ভব হবে। ছেলেটা হয়তো জানতো না তার এ স্বপ্ন দুনিয়ার সব থেকে বড় ভিডিও গেইম ফ্রানচাইজিতে পরিণত হবে।

“পোকেমন” বিস্ময়কর যাত্রায় কিভাবে দুনিয়ায় ঝড় তুললো। ১৯৬৫ সাল জাপনে পৃথিবীর আলো দেখেন সাতোসী তাজেরী। শিশু তাজেরী বন-জঙ্গলে ঘুরে বেড়াতেন আর পোকা মাকড় ধরতেন। তিনি ছিলেন ভিডিও  গেমের পোকা। অবসর সময়ে তিনি স্থানীয় আর্কডে ভিডিও গেইম খেলেই কাটাতেন।

১৯৮২ মালে বন্ধুদের নিয়ে গেম ফ্রিক নামে একটা ম্যাগাজিন ও তৈরি করেছিল সে। এখানেই তার সাথে পরিচয় হয় কেন সুজিমরির যিনি পোকেমনের চিত্রকর। সাতোসী তার পরিকল্পনা সাজাতে থাকেন মুজিমরিকে নিয়ে। নতুন গেম  তৈরি করার পরিকল্পনায় ছিলেন সাতোসী যেখানে তার ছোটবেলা সংগ্রহ করা পোকা মাকড় জীবন্ত হয়ে উঠবে।

তিনি তার আইডিয়া নিয়ে গেলেন বড় গেইম  কোম্পানি নিনটেন্ডোর কাছে। যেখানে গেমাররা নিজেদের পোকামাকড় সংগ্রহ করবে এবং লড়াই করবে। নিনটেন্ডো এই প্রজেক্টে সন্তুষ্ট হয়নি। তারা ভেবে ছিল গেমাররা এটা পছন্দ করবে না। কিন্তু সাতোসী পিছু হাঁটলো না। তিনি দিনে ১৮-২০ ঘন্টা এক নাগারে কাজ করতে শুরু করলেন। এরং নিনটেন্ডোকে আরেকটি সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ জানালেন।

নিনটেন্ডো কিংবদন্তী গেম মেকার সিগুরু নিয়ামতোর সাথে সাতোসীর কাজ করার সুযোগ করে দিলেন। ৬ বছর টানা কাজ করলো তারা। ১৯৯৬ সালে ২৭ ফেব্রুয়ারি ‘পকেট মন্সটার’ বাজারে ছাড়া হলো। এর ২ টি ভার্সন ছিলো লাল এরং সবুজ। ফ্রানচাইজিটি যুক্তরাষ্ট্র সহ বিভিন্ন দেশে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠে।

নিনটেন্ডো এ জনপ্রিয়তা দেখে গেমটির তৃতীয় ভার্সন নিয়ে আসে। পকেট মনস্টার ব্ল্।ু যার নাম বদলে করা হয় পোকেমন। ১৯৯৮ সালে ইংরেজিতে কথা বলার দেশগুলোতে পোকেমন ব্লু এবং পোকেমন রেড নামে গেম মুক্তি পায়।

হুহু করে বিক্রি হয় লাখ লাখ কপি। অল্পতেই জনপ্রিয় হয় উঠে গেমটি। পরবর্তী বছরগুলোতে পোকেমন গেমে আরও ৭ টি জেনারেশন রিলিজ হয়। বর্তমানে ৮৮৯টি প্রজাতির পোকেমন আছে। সম্পাদনা: শেখ মওদুদ আহমাদ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো কিছু জনপ্রিয় সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sundarbanpresstv.com
Design & Development BY Hostitbd.Com