
খুলনার জেলা কয়রা উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৪ নম্বর কয়রা গ্রামের সরকারি পুকুরপাড় এলাকায় এক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে—মোবাইল ফোন নিয়ে মা ও মেয়ের তর্কের জেরে, মাত্র তৃতীয় শ্রেণির এক মেয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।
স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা গেছে, ঘটনাটি হয়েছে সম্প্রতি। ওই মেয়েটি তাঁর মাকে অভিযোগ করেছিল যে, মা তাঁর মোবাইল ব্যবহার নিয়ে কথা বলায় তিনি অভিমান করেছেন। অভিমানে এমন আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত নেয়া মেয়েটি শেষ পর্যন্ত নিজের জীবন শেষ করেছেন।
> “এই ছোট মেয়ে সামান্য মোবাইল নিয়েই মায়ের সঙ্গে অভিমান করে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে,” — স্থানীয়দের কথাবার্তা।
অনেকেই বলছেন, “মোবাইল অনেক সংসার ধংস করেছে।” বিশেষ করে সম্প্রতি যুব সমাজে রক্ত গরমের প্রবণতা বেশি, ধৈর্য্য বলতে অনেকের দেহে কিছুই থাকে না—এমন কথাও শোনা গেছে।
বাংলাদেশে ছাত্রছাত্রীদের আত্মহত্যার প্রবণতা নিয়ে গবেষণা অনুসারে, তৃতীয় শ্রেণির মতো ছোট বয়সেও মানসিক চাপ, পারিবারিক মনোভাব ও আত্মসম্মানের আঘাত শিশুকে অত্যন্ত বিপজ্জনক সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করতে পারে।
মোবাইল ফোন ও স্মার্টফোনে অতিরিক্ত সময় কাটানো এবং আসক্তি (addiction) আত্মহত্যার চিন্তা ও পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত থাকতেও পারে — একটি গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব ছাত্রছাত্রী স্মার্টফোন বেশি ব্যবহার করে, তাঁদের মধ্যে আত্মহত্যার চিন্তা বেশি পাওয়া গেছে।
এমন ঘটনা শুধু বাংলাদেশেই নয় — সীমিত বয়সে মোবাইল ফোন নিয়ে পারিবারিক দ্বন্দ্বের কারণে বিভিন্ন দেশে এমন মর্মান্তিক ঘটনা সংবাদে উঠেছে।