
পাইকগাছায় সোলাদানা খেয়াঘাট সড়ক উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন**
খুলনার পাইকগাছায় জনগুরুত্বপূর্ণ সোলাদানা খেয়াঘাট সড়ক উন্নয়ন কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার বিকেলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ উন্নয়ন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সোলাদানা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এসএম এনামুল হক।
জনদুর্ভোগ দূরেই প্রধান লক্ষ্য-উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসএম এনামুল হক বলেন—“সোলাদানা খেয়াঘাট সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে অবহেলায় পড়ে ছিল। মানুষের যাতায়াতে ভোগান্তি সীমাহীন। যেখানে জনদুর্ভোগ, সেখানে উন্নয়নই এখন সময়ের দাবি। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে তিন ইউনিয়নের হাজারো মানুষের কষ্ট লাঘব হবে।”
তিনি আরও বলেন—“সড়কটির সংস্কার সম্পন্ন হলে সোলাদানা, লতা ও দেলুটি ইউনিয়নের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ হবে। ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা ও জরুরি সেবা গ্রহণেও পরিবর্তন আসবে।”
আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থার অর্থায়নে ২৫ লাখ টাকার প্রকল্প
সোলাদানা খেয়াঘাট সড়কটি তিন ইউনিয়নের বাসিন্দাদের প্রতিদিনের যাতায়াতের অন্যতম প্রধান মাধ্যম হওয়ায় এর উন্নয়ন দীর্ঘদিনের দাবি ছিল। অবশেষে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (WFP) এর অর্থায়নে এবং উন্নয়ন সংস্থা সুশীলন এর বাস্তবায়নে
“দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস কার্যক্রমের মাধ্যমে কমিউনিটি সম্পদ তৈরি” শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ২৫ লাখ টাকা বরাদ্দ প্রদান করা হয়।
এই বরাদ্দের আওতায়—মাটি দিয়ে রাস্তা সংস্কার
ইটের হেরিং বন্ড (HBB) নির্মাণ প্যালাসাইটিং এবং প্রয়োজনীয় স্থায়ী কাঠামো নির্মাণ করা হবে। উন্নয়ন কাজটি বাস্তবায়ন করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আরাফ এন্টারপ্রাইজ, যারা রবিবার থেকেই স্কেভেটর দিয়ে সংস্কারকাজ শুরু করেছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন
উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী সাজ্জাদ আহমেদ মানিক,ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান পীযুষ কান্তি মন্ডল,
ঠিকাদার ও প্রভাষক জাহাঙ্গীর আলম,যজ্ঞেশ্বর সানা কার্ত্তিক,বিএনপি নেতা আমিনুর রহমান সরদার, আব্দুল হাকিম,স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মোল্লা ইউনুস আলী, শামীম জোয়ার্দার, রাজিব নেওয়াজ,যুবদল নেতা আনারুল ইসলাম, ফয়সাল রাশেদ সনি, রকি বিশ্বাস, আয়ুব জোয়ার্দার,জাকির সরদার, আসলাম পারভেজ,সুশীলনের ফিল্ড ফ্যাসিলিটেটর বিপ্লব মন্ডল ও চিরঞ্জীত মন্ডলসহ আরও অনেকে।স্থানীয়দের প্রত্যাশা
স্থানীয়রা জানান, সড়কটি বহুদিন যাবৎ জরাজীর্ণ অবস্থায় থাকায় তিন ইউনিয়নের মানুষ চরম ভোগান্তিতে ছিলেন।
উন্নয়ন কাজ শেষ হলে হাজারো মানুষ সরাসরি উপকৃত হবে এবং খুলনা শহরগামী পথ আরও গতিশীল হবে।