শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ১০:২৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ :
পাইকগাছায় জগন্নাথ ধাম মন্দিরে পুরোহিত পরিবারের বসবাস নিয়ে বিতর্ক, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে উদ্বেগ পাইকগাছায় মাদকের বিরুদ্ধে যৌথ অভিযান: গাঁজাসহ যুবক আটক, ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ড,আরও অভিযানের দাবি এলাকাবাসীর পাইকগাছায় স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে জামায়াতের আগাম প্রস্তুতি: মেয়র, উপজেলা চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নাম ঘোষণা পাইকগাছায় ডা. আব্দুল মজিদের জন্মদিনে শুভেচ্ছার জোয়ার, সম্প্রীতি ও জনকল্যাণের বার্তা পাইকগাছায় জমি বিরোধের জেরে ভাইয়ের ধাক্কায় প্রাণহানি, নাবা গ্রামে শোকের ছায়া 🌸 শুভ বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩: বৈশাখী শোভাযাত্রায় মুখর পাইকগাছা, প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের গঠনমূলক বার্তা পাইকগাছায় প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিতে ফিডিং কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে মনিরুল হাসান বাপ্পী: রোগীদের খোঁজখবর ও সেবার মানোন্নয়নে গুরুত্বারোপ 📰 পাইকগাছা প্রেসক্লাবে ইফতার ও দোয়া মাহফিল: সম্প্রীতির মিলনমেলায় রূপ নিল আয়োজন বিয়ের সাজেই শেষ যাত্রা: নববধূ মিতুসহ সড়ক দুর্ঘটনায় ঝরে গেল ১৩ প্রাণ

এইচএসসিতে ভর্তি হওয়ার পর সব ছাত্রীর বিয়ে, তাই কেউ পাস করেনি

নিজস্ব ডেস্ক
  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৩৫ বার পঠিত

 

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে পঞ্চগড় জেলার তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি।

১৬ অক্টোবর বৃহস্পতিবার ফলাফল প্রকাশের পর বিষয়টি জানা যায়। শূন্য পাস করা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—বোদা উপজেলার বোদা পাইলট গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মাড়েয়া মডেল হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং তেঁতুলিয়া উপজেলার আলহাজ্ব তমিজ উদ্দীন কলেজ। প্রতিষ্ঠানগুলোর কোনোটিই এখনো এমপিওভুক্ত নয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বোদা পাইলট গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ১২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়, যার মধ্যে ৪ জন অনুপস্থিত ছিল। মাড়েয়া মডেল হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশ নেয় মাত্র ১ জন শিক্ষার্থী, আর আলহাজ্ব তমিজ উদ্দীন কলেজ থেকে অংশ নেয় ৪ জন, যার মধ্যে ২ জন পরীক্ষায় অনুপস্থিত ছিল।

মাড়েয়া মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ সপেন্দ্রনাথ বর্মণ বলেন,

> “আমাদের কলেজ শাখা এমপিওভুক্ত নয়। কয়েক বছর ধরে কোনো শিক্ষক নেই। এজন্য একজন পরীক্ষায় অংশ নিলেও পাস করতে পারেনি।”

বোদা পাইলট গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নার্গিস পারভিন মৌসুমী বলেন,

> “ভর্তি হওয়ার পরেই সবার বিয়ে হয়ে গেছে। তাই কেউ পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করতে পারেনি।”

আলহাজ্ব তমিজ উদ্দীন কলেজের অধ্যক্ষ হাসান আলী বলেন,

> “আমাদের কলেজের চারজনের মধ্যে দুজন পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। আমরা মনে করি দুজনই পাস করার কথা ছিল, তাই আমরা বোর্ড চ্যালেঞ্জ করব।”

এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা খায়রুল আনাম মো. আফতাবুর রহমান হেলালী বলেন,

> “যেসব প্রতিষ্ঠানের কেউ পাস করতে পারেনি, তাদের শোকজ করা হবে। কেন এমন ফল হয়েছে, তা খুঁজে বের করে ভবিষ্যতে উন্নতির উদ্যোগ নেওয়া হবে।”

🔖 বিশ্লেষণ: শিক্ষা থেকে ঝরে পড়া ও বাল্যবিয়ের মতো সামাজিক সমস্যাগুলোই এ ধরনের হতাশাজনক ফলাফলের অন্যতম কারণ হিসেবে উঠে এসেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর তদারকি ও সচেতনতা বৃদ্ধি ছাড়া এই প্রবণতা রোধ করা কঠিন হবে ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো কিছু জনপ্রিয় সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sundarbanpresstv.com
Design & Development BY Hostitbd.Com